Thursday, February 19, 2015
অচেনা নম্বর থেকে কল আসছে? তাহলে যে কল করেছে তার সকল তথ্য জেনে নিন ।
Saturday, February 14, 2015
Android ব্যবহারকারীরা নিয়ে নিন দারুন ৩টি প্রিমিয়াম ক্যামেরা অ্যাপস
সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের টিউনটি শুরু করছি । আশা করি সাবাই ভালো আছেন । আমিও ভালো আছি, আর তাই Android বিষয়ক আরও একটি টিউন নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে । এই টিউনে আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দেবো অনেক সুন্দর ৩টি প্রিমিয়াম ক্যামেরা অ্যাপস এর সাথে । বর্তমান সময়ে Android ফোন গুলোতে ভালো মানের ক্যামেরা থাকার কারনে, অনেকেই ফোন দিয়ে ফটোগ্রাফি করতে চেষ্টা করেন, আর আমিও আপনাদের দলে । তাই যারা Android ফোন দিয়ে ভালো মানের ছবি তুলতে চান, এই অ্যাপস গুলি তাদেরকে ভালো মানের ছবি তুলতে সহযোগিতা করবে । তবে চলুন দেখেনেই অ্যাপস গুলো ।
স্ন্যাপ ক্যামেরা এইসডিআর (Snap Camera HDR):-
স্ন্যাপ ক্যামেরা এইসডিআর অনেক সুন্দর ক্যামেরা অ্যাপস Android ফোনের জন্য । এই অ্যাপসটিতে রয়েছে কিটক্যাট ক্যামেরার ইন্টারফেস । চলুন দেখেনেই অ্যাপসটির প্রধান বৈশিষ্ট সমূহ ।
•Touch to focus •Pinch to zoom •Swipe to review •Long press to adjust photo settings with the photo controller •Colour and Contrast
•Silent Shutter •Burst Mode •Self Timer •Stable Shot •Panorama mode •Flash mode •Whitebalance •Exposure •Grid lines •Fast picture mode
•HDR •Picture and Video Size •Scene mode •Self Timer delay •Burst Mode settings •Time Lapse •Still and Video Focus Modes •JPEG Quality
•Effects •ISO •Anti-banding •Scene Detection •Video Bitrate, Format and Codec •Audio Settings •Add colour effects •Add a border
•Crop, Rotate, Mirror •Straighten •Add image effects •Histogram Modification •Vignette সহ আরও অনেক কিছু ।
স্ন্যাপ ক্যামেরা এইসডিআর অনেক সুন্দর ক্যামেরা অ্যাপস Android ফোনের জন্য । এই অ্যাপসটিতে রয়েছে কিটক্যাট ক্যামেরার ইন্টারফেস । চলুন দেখেনেই অ্যাপসটির প্রধান বৈশিষ্ট সমূহ ।
•Touch to focus •Pinch to zoom •Swipe to review •Long press to adjust photo settings with the photo controller •Colour and Contrast
•Silent Shutter •Burst Mode •Self Timer •Stable Shot •Panorama mode •Flash mode •Whitebalance •Exposure •Grid lines •Fast picture mode
•HDR •Picture and Video Size •Scene mode •Self Timer delay •Burst Mode settings •Time Lapse •Still and Video Focus Modes •JPEG Quality
•Effects •ISO •Anti-banding •Scene Detection •Video Bitrate, Format and Codec •Audio Settings •Add colour effects •Add a border
•Crop, Rotate, Mirror •Straighten •Add image effects •Histogram Modification •Vignette সহ আরও অনেক কিছু ।
size: 470 kb
স্ন্যাপ ক্যামেরা এইসডিআর দিয়ে আমার তোলা একটি ছবি
ক্যামেরা প্লাস গ্যালারী প্লাস প্রো কিটক্যাট (Camera+ Gallery+ Pro KitKat):-
ক্যামেরা প্লাস গ্যালারী প্লাস প্রো কিটক্যাট অ্যাপসটি রয়েছে সম্পূর্ণ কিটক্যাট ইন্টারফেস ক্যামেরা এবং গ্যালারী । এই অ্যাপসটিও অনেক সুন্দর । তাহলে চলুন দেখেনেই এই অ্যাপসটির প্রধান বৈশিষ্ট সমূহ ।
ক্যামেরা প্লাস গ্যালারী প্লাস প্রো কিটক্যাট অ্যাপসটি রয়েছে সম্পূর্ণ কিটক্যাট ইন্টারফেস ক্যামেরা এবং গ্যালারী । এই অ্যাপসটিও অনেক সুন্দর । তাহলে চলুন দেখেনেই এই অ্যাপসটির প্রধান বৈশিষ্ট সমূহ ।
•3 modes: camera, video recorder & panorama •Silent mode (no shutter sound, might not work on some devices) •Live FX photos: 12 effects
•Pinch to zoom •Configurable volume keys •Wide screen pictures •Picture quality setting (low/medium/high/ultra)
•Configurable storage source (Internal/SD card) •Timer •Scene mode •Guidelines •Video/Audio quality configurable
•Ultra fast photos & videos viewer •Configurable thumbnail size •Grid view/Filmstrip view •Hide unwanted folders
•Slideshow mode •High quality photo editing •New filters and borders সহ আরও অনেক কিছু ।
“ডাউনলোড লিংক”
•Pinch to zoom •Configurable volume keys •Wide screen pictures •Picture quality setting (low/medium/high/ultra)
•Configurable storage source (Internal/SD card) •Timer •Scene mode •Guidelines •Video/Audio quality configurable
•Ultra fast photos & videos viewer •Configurable thumbnail size •Grid view/Filmstrip view •Hide unwanted folders
•Slideshow mode •High quality photo editing •New filters and borders সহ আরও অনেক কিছু ।
“ডাউনলোড লিংক”
size: 5.1mb
ক্যামেরা প্লাস গ্যালারী প্লাস প্রো কিটক্যাট দিয়ে আমার তোলা একটি ছবি
ডিএসএলআর ক্যামেরা প্রো (DSLR_Camera_Pro):-
ডিএসএলআর ক্যামেরা প্রো অনেক দারুন একটি অ্যাপসটি । ডিএসএলআর ক্যামেরার ইন্টারফেস রয়েছে এই অ্যাপসটিতে । তাহলে দেখেনেই এই অ্যাপসটির প্রধান বৈশিষ্ট সমূহ ।
•two-state shutter button – press to focus, release to take a shot •moveable viewfinder – to set focus-area anywhere you want •ISO
•live histogram •exposure compensation •geotagging •flash mode – auto, on, off, torch •light metering mode – matrix, center-weighted, spot
•autofocus mode – single, continuous, face-detection etc. •white balance •drive mode: single, burst, timer etc •color effects
•scenes – portrait, landscape etc •grids: rule of thirds, golden ratio etc. •volume keys as shutter buttons •front-facing camera support সহ আরও অনেক কিছু ।
“ডাউনলোড লিংক”
ডিএসএলআর ক্যামেরা প্রো অনেক দারুন একটি অ্যাপসটি । ডিএসএলআর ক্যামেরার ইন্টারফেস রয়েছে এই অ্যাপসটিতে । তাহলে দেখেনেই এই অ্যাপসটির প্রধান বৈশিষ্ট সমূহ ।
•two-state shutter button – press to focus, release to take a shot •moveable viewfinder – to set focus-area anywhere you want •ISO
•live histogram •exposure compensation •geotagging •flash mode – auto, on, off, torch •light metering mode – matrix, center-weighted, spot
•autofocus mode – single, continuous, face-detection etc. •white balance •drive mode: single, burst, timer etc •color effects
•scenes – portrait, landscape etc •grids: rule of thirds, golden ratio etc. •volume keys as shutter buttons •front-facing camera support সহ আরও অনেক কিছু ।
“ডাউনলোড লিংক”
size: 3.9 mb
ডিএসএলআর ক্যামেরা প্রো দিয়ে আমার তোলা একটি ছবি
ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ।
ম্যাজিক শিখুন !!আজ শেখাব তাসের ম্যাজিক!!
Wednesday, February 11, 2015
আপনি কি আপনার পেন ড্রাইভটা শধুমাত্র ডাটা আদান প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন ? পেনড্রাইভ দিয়ে শুধু তথ্য…
আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন বন্ধুরা সবাই।আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি। আপনি আপনার পেন ড্রাইভটা কি শধুমাত্র ডাটা আদান প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য।
পেনড্রাইভ কি ?
পেনড্রাইভ একটি পোর্টেবল ইউএসবি মেমোরি ডিভাইস। এটি দিয়ে খুব দ্রুত ফাইল, অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ট্রান্সফার করা যায়। এই ডিভাইসটি এতই ছোট যে, যেকেউ-ই পকেটে বা ব্যাগে করে সহজে বহন করতে পারেন এবং মূল্যবান তথ্য সবসময় পেনড্রাইভে রেখে ব্যবহার করে থাকেন।
পেনড্রাইভ বর্তমানে অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন। আর এই পেনড্রাইভ দৈনন্দিন জীবনে একটি বড় অংশ হিসেবে কাজ করছে, যা আমাদের ছোট পোর্টেবল হার্ডডিস্কের সুবিধা দিয়ে থাকে। যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন বা যাদের দরকারি ফাইল সবসময় প্রয়োজন হয় তাদের অনেকেই পেনড্রাইভ ব্যবহার করে থাকেন।কিন্তু পেনড্রাইভ দিয়ে শুধু তথ্য আদান-প্রদানই নয়, এর বাইরের অনেক কাজেও ব্যবহার করা যায়। তাই আজ পেনড্রাইভের নানাবিধ সুবিধা ও ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ।
পেনড্রাইভ দিয়ে লগইন-লগআউট :
ইউজার সিকিউরিটি বর্তমানে একটি প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে অনেকেই কম্পিউটারের লগইন পাসওয়ার্ডকে সিকিউর ভাবেন না, কারণ হ্যাকারদের কাছে কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড বের করা তেমন কষ্টকর নয়। সেক্ষেত্রে পেনড্রাইভ দিয়ে এর সিকিউরিটি দেয়া সম্ভব। বর্তমানে অনেক ফ্ল্যাশড্রাইভ বা পেনড্রাইভের সঙ্গে সফটওয়্যার আসছে, যা দিয়ে লগইন-লগআউট অপশন সেট করা যায়। Blue Micro USB Flash Drive Logon এমন একটি থার্ড পার্টি সফটওয়্যার, যা আপনাকে ওপরের সুবিধাটি দিতে পারে। এই সফটওয়্যারের ব্যবহার দিয়ে আপনার পেনড্রাইভকে কম্পিউটারের জন্য একটি চাবি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনি কম্পিউটারে লগইন করতে চাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে আপনার নির্দিষ্ট পেনড্রাইভ ইউএসবি পোর্টে সংযোগ এবং কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। পেনড্রাইভ ছাড়া কম্পিউটারে লগইন করতে পারবেন না। এই পদ্ধতি যেমনি সিকিউরিটি বাড়িয়েছে, তেমনি একটি সমস্যাও রয়েছে। কোনো কারণে পেনড্রাইভটি হারিয়ে গেলে আপনি নিজেই কম্পিউটারে লগইন করতে পারবেন না।
ক্যাশ বাড়াতে পেনড্রাইভ :
কিছু প্লাগইন আপনার কম্পিউটারের স্পিড বাড়াতে সক্ষম হবে। Windows Ready Boost নামে একটি ফিচার রয়েছে, যা উইন্ডোজ ভিসতাতে কাজ করে এবং উইন্ডোজ এক্সপির জন্য রয়েছে eBoostrer। অনেক ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের র্যমের সাইজ কম থাকে। যার ফলে কম্পিউটারের স্পিড কমে যায়। কম্পিউটারের স্পিড বাড়ানোর জন্য পেনড্রাইভ ব্যবহার করতে পারেন। আপনার পেনড্রাইভটি ইউএসবি পোর্টে যুক্ত করুন। নরমাল কম্পিউটারে উইন্ডোজের মেমরির পেজ ফাইল সি ড্রাইভে সেভ হয়ে থাকে। আপনি তা পরিবর্তন করে পেনড্রাইভের লোকেশন দেখিয়ে দিতে পারেন। এতে পেজ ফাইলের স্টোরের সাইজের পরিমাণ বাড়বে।
এনক্রিপটেড ডাটা :
আপনার ব্যবহারের সব ফাইল, ফোল্ডারকে পেনড্রাইভে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন এবং ভিন্ন পরিবেশের কম্পিউটারে ব্যবহার করছেন। অনেক সময় আপনার খুব পার্সোনাল ফাইল বা পাসওয়ার্ডগুলোর তথ্য পেনড্রাইভে থাকতে পারে। কিন্তু যদি কোনো কারণে পেনড্রাইভটি হারিয়ে যায়, তাহলে আপনার পার্সোনাল তথ্যগুলো অন্যের কাছে চলে যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার পার্সোনাল ডাটাগুলোকে এনক্রিপটেড করে রাখতে পারেন। এনক্রিপটেড করার জন্য True Crypt, Dekart Private Disk Light টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এনক্রিপ্ট করার আগে এর ব্যবহারবিধি পড়ে নেবেন।
সিস্টেম অ্যাডমিনের ড্রাইভার :
অনেক সিস্টেম অ্যাডমিন রয়েছে, যাদের কম্পিউটারে নিয়মিত ড্রাইভার আপডেট বা ইনস্টল করতে হয়। সেক্ষেত্রে ড্রাইভারগুলোকে এক্সটারনাল হার্ডডিস্কে সেভ করে নিয়ে কাজ করে থাকেন অথবা সিডি বা ডিভিডিতে রাইট করে নিয়ে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু ড্রাইভারগুলোকে পেনড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডারে রেখে ব্যবহার করা হয় তাহলে অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে। যেমন : পেনড্রাইভ ওজনে হালকা হওয়াতে সব সময় এটি বহন করা যাবে এবং বিভিন্ন ড্রাইভের আপডেট বের হলে তা পেনড্রাইভে খুব সহজে আপডেট এবং ব্যবহার করা যাবে।
পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম :
বর্তমানে পোর্টেবল অ্যাপ্লিকেশনের পাশাপাশি পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম বের হয়েছে। অনেকেই আছেন, যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি লিনআক্স ব্যবহার করতে চাচ্ছেন, কিন্তু পার্টিশনের ভয়ে লিনআক্স ব্যবহার করতে পারছেন না। সেক্ষেত্রে পেনড্রাইভে পোর্টেবল লিনআক্সকে নিয়ে খুব সহজে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় ফাইলগুলোকে পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ভিন্ন পরিবেশে কম্পিউটার ব্যবহার করতে গেলে কম্পিউটারের ব্যবহারবিধির ওপর অনেক রেস্ট্রিকশন থাকে। সেক্ষেত্রে পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনাকে কোনো রেস্ট্রিকশনের ভেতর থাকতে হবে না। কোনো বন্ধুর কম্পিউটার ব্যবহার করতে চাচ্ছেন, কিন্তু তার কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত, সেক্ষেত্রে পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে আপনি কম্পিউটারটি ব্যবহার করতে পারবেন এবং আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের ভাইরাসগুলোকে রিমুভ করতে পারবেন। বেশ কিছু পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Knoppix, DamnSmall Linux,
Puppy
রিকোভারি এনভায়রনমেন্ট :
উইন্ডোজ এক্সপি অনেকেই ব্যবহার করেন কিন্তু ভাইরাসের কারণে অনেক সময় ফাইল মিসিং হয় এবং ফাইল বা ডিএলএল মিসিংয়ের কারণে অনেক সময় কম্পিউটার অন হয় না। সেক্ষেত্রে নতুন করে উইন্ডোজ সেটআপ দিয়ে থাকেন। কিন্তু পেনড্রাইভ দিয়ে আপনি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। উইন্ডোজ এক্সপির রিকোভারি করার ফাইলগুলো পেনড্রাইভে নিয়ে খুব সহজে এক্সপি রিকোভারি অপশন থেকে রিকোভার করে নিতে পারেন। Bartpe এমন একটি গ্রাফিক্যাল রিকোভারি টুল।
ওয়েবসাইট তৈরী করে আয় করতে চাচ্ছেন? হুট করে কিছু করার আগে এই বিষয়গুলো জেনে নিন।
ওয়েবসাইট তৈরী করে আয় করার কাজটি অনেকেই করছে। আইডিয়া ভালই, মন্দ নয়। তবে এর জন্য অনেক কিছু বিবেচনার বিষয় আছে। অনেকেই এটিকে খুব সহজ মনে করে। অনেকে মনে করে, ওয়েবসাইট তৈরী করা হয়ে গেলে শুধু পোষ্ট দিব, মানুষ ভিজিট করবে আর আমার পকেটে শুধু টাকা আর টাকা!
আসলে বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। এই কাজে হাত দেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতেই হবে, আপনার ওয়েবসাইট মানুষ কেন ভিজিট করবে? অন্যদের ওয়েবসাইট থেকে ব্যাতিক্রমী কি থাকবে আপনার ওয়েবসাইটে? কি কারনে মানুষ অন্য ওয়েবসাইট ছেড়ে আপনার ওয়েবসাইটে আসবে? আপনার ভিজিটর কি তৈরী করা আছে? নাকি নতুন করে ভিজিটর তৈরী করতে হবে? এ ধরনের আরও অনেক প্রশ্ন আছে।
আপনি হয়ত ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা খরচ করে একটি ডেমেইন ক্রয় ও হোষ্টিং করে নিতে পারবেন এবং ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ করে একটি ওয়েবসাইটও তৈরী করিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু তার মান কেমন হবে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খরচ কম হলে মান খারাপ হতে পারে, আর খরচ বেশি হলে মান ভাল হতে পারে। আবার আপনি কেমন কন্টেন্ট বা লেখা দিবেন সেটাও একটা বিবেচ্য বিষয়। আবার আপনার ভিজিটর যদি বেশি হতে থাকে ও কন্টেন্ট বা ডাটার পরিমান বাড়তে থাকে, তাহলে কিন্তু আপনাকে নতুন করে আবার দশ-বিশ হাজার অথবা তারও বেশি পরিমান টাকা খরচ করে ওয়েবসাইটের মাসিক ব্যান্ডউথ লিমিট বাড়াতে হবে এবং হোষ্টিং স্পেস বাড়াতে হবে। অন্যথায় ভিজিটর’রা এক পর্যায়ে আপনার ওয়েবসাইট বন্ধ দেখতে পাবে।
ওয়েবসাইটের ভাষাঃ
ওয়েবসাইটটি কি আপনি বাংলায় তৈরী করবেন? নাকি ইংরেজিতে? যদি বাংলায় তৈরী করেন তবে হয়ত সহজে কন্টেন্ট লিখতে পারবেন? আর যদি ইংরেজীতে করেন, তাহলে কিন্তু ইংরেজী না জানলে সেটা খুবই কঠিন হবে।
ভিজিটরের ধরণঃ
আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর কি শুধু বাংলাদেশ ভিত্তিক হবে নাকি ওয়ার্ল্ডওয়াইড হবে। ভিজিটর যদি শুধু বাংলাদেশ ভিত্তিক হয় তবে ওয়েবসাইটটি বাংলায় তৈরী করতে পারেন। আর যদি ওয়াল্ডওয়াইড হয় তবে ইংরেজীতে তৈরী করা ছাড়া উপায় নেই।
এরপর আসুন আয়ের বিষয়ঃ
ওয়েবসাইট তৈরী করে আয় করার বিষয়টি নির্ভর করবে আপনার ভিজিটরের উপর। আপনি যদি সাইটটি বাংলায় তৈরী করেন তবে গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন পাবেন না। গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন ভিন্ন উপায়ে পেতে পারেন, তবে সেটা এই লেখায় আলোচনা করছিনা। তবে bidvertiser.com, adcash.com কিংবা chitika.com এর মতো কিছু বিদেশি বিজ্ঞাপনী সংস্থার বিজ্ঞাপন সহজে পেতে পারেন। বাংলাদেশী বিজ্ঞাপনী সংস্থা green-red.com এর বিজ্ঞাপনও পেতে পারেন, তবে গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপনের চাইতে এগুলো থেকে আয় কিন্তু বেশ খানিকটা কম হবে। ভিজিটর অনেক হলে মোটামুটি পুষিয়ে যাবে। বাংলাদেশী বিজ্ঞাপন দ্বারা যা আয় করবেন, তা ওয়েবসাইট মেনটেইনেন্স ও বার্ষিক ডোমেইন নেম ও হোষ্টিং এর ফি দেওয়ার পর লাভ খুব বেশি থাকবে না।
এই হলো ওয়েবসাইট তৈরী করে আয় করার মোটামুটি একটা ধারণা। তো বুঝতে পারলেন তো, ভিজিটর নেই তো আয় নেই, ভিজিটর আছে তো আয় আছে। সুতরাং এবার চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিন।
বিশ্বের সকল খেলার চ্যানেল দেখুন এখন এক পেজে মোট (৬০+) খেলার চ্যানেল
বিশ্বের সকল খেলার চ্যানেল দেখুন এখন এক পেজে মোট (৬০+) খেলার চ্যানেল
আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি ভালো আছেন
সামনে বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ কে সামনে রেখে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম বিশ্বের সকল খেলার চ্যানেল। আমরা সাধারনত অনলাইন টিভি দেখতে ঢাকা স্পোর্ট সাইট ভিজিট করে থাকি, কিন্তু ঢাকা স্পোর্ট সাইটের অনেক চ্যানেল লিংক কাজ করে না এবং চ্যানেল আনেক কম। তাই এই সমস্যার কথা ভেবে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম বিশ্বের সকল খেলার চ্যানেল তাও আবার এক পেজে। ১০০% সকল চ্যানেল এর লিংক কাজ করবে, লিংক কাজ না করলে Comment করতে পারেন। আর কথা বাড়াবো না,
সরাসরি এই পেজ থেকে
এছাড়াও অারো চ্যানেল এর লিষ্ট নিচে
তাহলে যে বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকেন না কেন আর কোন চিন্তা নেই। কাজ কর্ম শেষ করে সময় মত টিভির সামনে বসে পরুন আপনার প্রিয় দলের খেলা দেখতে।
আর হে কোন চ্যানেল এর লিংক কাজ না করলে Comment করে অবশ্যই জানাবেন।
Subscribe to:
Comments
(Atom)
Live Score
http://jahanaratelecombd.artisteer.net
জাহানারা টেলিকম
জাহানারা টেলিকম
!-end>!-local>
Copyright © 2015 জাহানারা টেলিকম (বাংলাদেশ). All Rights Reserved.. Powered by Blogger.
http://jahanaratelecomhelplinebd.blogspot.com/


































































Time in Dhaka